Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/aofficia/domains/official-result.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
আয়ত কাকে বলে? | আয়ত কাকে বলে class 3 | আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কাকে বলে | আয়ত ক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য - Official Result

আয়ত কাকে বলে? | আয়ত কাকে বলে class 3 | আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কাকে বলে | আয়ত ক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য

আয়ত কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো আয়ত কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

আয়ত কাকে বলে,আয়ত কাকে বলে class 3,আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কাকে বলে,আয়ত ক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য
আয়ত কাকে বলে

Table of Contents

আয়ত কাকে বলে?

চতুর্ভুজের কোণগুলো সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি হলে তাকে আয়ত বলে।

চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ সমকোণ বা ৯০০ হলে তাকে আয়ত বলে। আয়তের সংজ্ঞা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, আয়তের দুই জোড়া বিপরীত বাহু পরস্পর সমান ও সমান্তরাল। বিধায়, আয়ত একটি সামান্তরিক। কারণ সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল।

আয়তক্ষেত্র কাকে বলে

আয়ত দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে আয়তক্ষেত্র বলে। অথবা, সামান্তরিকের একটি কোণ সমকোণ হলে তাকে আয়তক্ষেত্র বলে। অন্যভাবে বললে, সামান্তরিকের একটি কোণ সমকোণ হলে তাকে আয়তক্ষেত্র বলে।

সুতরাং, আয়তক্ষেত্র হলো সামান্তরিকের একটি বিশেষ রূপ। আয়তক্ষেত্রের প্রত্যেকটি কোণের পরিমাপ ৯০০। তাই আয়তক্ষেত্রকে সমকোণী চতুর্ভুজ বলা হয়।

আয়তক্ষেত্রের প্রত্যেক জোড়া বিপরীত বাহু পরস্পর সমান ও সমান্তরাল। আবার, আয়তক্ষেত্রের বাহুগুলো পরস্পর সমান হলে তখন এটি বর্গক্ষেত্র হয়ে যায়। তাই বর্গক্ষেত্র হলো আয়তক্ষেত্রের একটি বিশেষ রূপ।

অর্থাৎ, বর্গক্ষেত্র হলো একটি বিশেষ ধরণের আয়তক্ষেত্র যার সবগুলো বাহুর দৈর্ঘ্য পরস্পর সমান। তাহলে বলা যায়, প্রত্যেকটি আয়তক্ষেত্র একটি সামান্তরিক এবং প্রত্যেকটি বর্গক্ষেত্র একইসাথে একটি আয়তক্ষেত্র এবং একটি রম্বস কারণ রম্বসের সকল বৈশিষ্ট বর্গক্ষেত্র ধারণ করে।

Also Read: উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা কাকে বলে

আয়তক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য

  1. আয়তক্ষেত্রের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান হয় এবং প্রত্যেকটি কোণ এক সমকোণ ।
  2. আয়তক্ষেত্রের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান হয়।
  3. আয়তক্ষেত্রের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখন্ডিত করে।

আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল

আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য* প্রস্থ

আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা

আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)

আয়তক্ষেত্র থেকে বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

কোণ ক্ষেত্রগুলোর কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে?

উত্তর:- আয়তক্ষেত্র ও বর্গক্ষেত্র

একটি আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল ২৪ এয়র। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুাপাত ৩:২ হলে ঐ জমির পরিসীমা কত?

উত্তর:- ২০০ মি.

একটি আয়তাকার মাঠের ক্ষেত্রফল ১০০০ বর্গমিটার। মাঠের দৈর্ঘ্য ৪০ মিটার হলে মাঠের পরিসীমা কত?

উত্তর:- ১৩০ মিটার

একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিন গুণ। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হলে এর পরিসীমা কত

উত্তর:- ৮০ মিটার

একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ। দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার হলে, এর পরিসীমা কত?

উত্তর:- ১২৮ মিটার

একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২ গুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ১২৫০ বর্গমিটার, এর দৈর্ঘ্য কত?

উত্তর:- ৫০ মিটার

একটি আয়তাকার বাড়ির পরিসীমা ৪৪ গজ এবং ঘরের দৈর্ঘ্য ৩৬ ফুট। ঘরের প্রস্থ কত গজ?

উত্তর:- ১০ গজ

তো আজকে আমরা দেখলাম যে আয়ত কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

আয়ত কাকে বলে,আয়ত কাকে বলে class 3,আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কাকে বলে,আয়ত ক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য

Leave a Comment