Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/aofficia/domains/official-result.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে? বিস্তারিত... - Official Result

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে? বিস্তারিত…

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে?

কোনো পরমাণুর বিভিন্ন শক্তিস্তরে কয়টি ইলেক্ট্রন কীভাবে আছে তার প্রকাশকে ইলেকট্রন বিন্যাস বলে।

অথবা: নিউক্লিয়াসের চারপাশে বিভিন্ন শক্তিস্তরে শক্তির ক্রমানুসারে ইলেকট্রনগুলাে যেভাবে সাজানাে থাকে তাকে ইলেকট্রন বিন্যাস বলে। যেমন:

  • হাইড্রোজেনের ইলেক্ট্রন বিন্যাস H(1)→1s1
  • সোডিয়ামের ইলেক্ট্রন বিন্যাস Na(11)→1s2 2s2 2p6 3s1
  • হিলিয়ামের ইলেক্ট্রন বিন্যাস He(2)→1s2

Also Read: বিস্তার কাকে বলে

কিছু মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস

  • H(1): 1s1
  • He(2): 2s2
  • Li(3): 1s22s1
  • Be(4): 1s22s2
  • Na(11): 1s22s22p63s1
  • Ca(20): 1s22s22p63s23p64s2

ইলেকট্রন বিন্যাস লেখার নিয়ম

ইলেকট্রন বিন্যাস লেখার নিয়ম: প্রথমে পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা জানতে হবে।তারপর শক্তিস্তর ও উপশক্তিস্তর সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে। শক্তিস্তর সাধারণত ৭ টি, এগুলোকে উর্ধ্বক্রমাণুসারে K, L, M, N…. দ্বারা অভিহিত করা হয়। ইলেকট্রন বিন্যাসে 1, 2, 3, 4…. হিসেবে লেখা হয়।

উপশক্তিস্তর ৪ টি, s p d ও f….. এগুলোতে যথাক্রমে ২, ৬, ১০ ও ১৪ টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

এর মধ্যে ১ নং শক্তিস্তরে একটি উপস্তর থাকে, ২ নং এ দুইটি, ৩ নং এ তিনটি এবং বাকিগুলোতে ৪ টি করে থাকে।

একটি উদাহরণ দেখা যাক- সালফার (S), এর ইলেকট্রন সংখ্যা ১৬ টি। তাহলে ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s2, 2s2, 2p6, 3s2, 3p4

লক্ষ্য করুণ, প্রথম শক্তিস্তর পূর্ণ করে ক্রমান্বয়ে ইলেকট্রন বিন্যাসিত হয়েছে।
প্রথন স্তরে 2টি, দ্বিতীয় স্তরে ২+৬ = ৮ টি, তৃতীয় স্তরে ২+৪ = ৬ টি ইলেকট্রন রয়েছে।

এখানে 3p6 হয়নি কারন মোট ইলেকট্রন সংখ্যা ছিলো ১৬ টি, তৃতীয় শেলের p উপস্তরের জন্য ৪ টি ইলেকট্রনই বাকি ছিলো।

ইলেকট্রন প্রবেশের পূর্ণ ধারাটি হলো: 1s, 2s, 2p, 3s, 3p, 4s, 3d, 4p, 5s, 4d, 5p, 6s, 4f, 5d, 6p, 7s, 5f, 6d

ধারাটি উল্টোপাল্টা কেনো তা উপরের ক্লাসে বুঝতে পারবেন, একে হুন্ডের নীতি বলে। উপরোক্ত ধারা অনুসারেই ইলেকট্রন বিন্যাস করবেন। তবে বিন্যাস লেখার সময় সিরিয়ালি লিখবেন।

আরেকটি উদাহরণ দিলাম: Sc, (21) – 1s2, 2s2, 2p6, 3s2, 3p6, 3d1, 4s2

আমরা যদি একটানা ইলেকট্রন বসাতাম তাহলে 3d3 লিখলেই হতো, কিন্তু উপরের ধারা অনুযায়ী আগে 4s এ ইলেকট্রন প্রবেশ করে তারপর ৩d তে এসেছে।

কিছু ব্যতিক্রম আছে। কখনো যদি দেখেন শেষে 4s2 আর তার আগে 3d4 থাকে তাহলে 4s থেকে একটি ইলেকট্রন 3d তে পাঠিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ 3d5, 4s1 হবে। অর্থাৎ শেষ ও তার আগের স্তর অর্ধেক পূর্ণ করা সম্ভব হলে এরকমটা হবে।

Also Read: সংকট কোণ কাকে বলে

ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়মের কিছু ব্যতিক্রম

ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়মের কিছু ব্যতিক্রম: সাধারণভাবে দেখা যায় যে, একই উপশক্তিস্তর p ও d এর অরবিটালগুলাে অর্ধেক পূর্ণ (p3, d5) বা সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ (p6, d10) হলে সে ইলেকট্রন বিন্যাস সুস্থিত হয়। তাই Cr(24) এর ইলেকট্রন বিন্যাস স্বাভাবিকভাবে হওয়ার কথা: Cr(24)→ 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d4 4s2 কিন্তু 3d অরবিটাল সুস্থিত অর্ধপূর্ণ হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় 4s অরবিটাল হতে একটি ইলেকট্রন 3d অরবিটালে আসে।

ফলে ক্রোমিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস হয় এরকম: Cr(24) →1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d5 4s1

তো আজকে আমরা দেখলাম যে ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

Leave a Comment