গুণ কাকে বলে

গুণ কাকে বলে? বিস্তারিত…

গুণ কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো গুণ কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

গুণ কাকে বলে
গুণ কাকে বলে

গুণ কাকে বলে?

হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত সমস্যা সাধারণত যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ প্রক্রিয়ার সাহায্যে সমাধান করা হয়। যোগের সংক্ষিপ্ত রূপ বা নিয়মকে গুণ বলে।

অথবা: যে গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে এবং সংক্ষিপ্ত উপায় গাণিতিক সমাধান করা হয় তাকে গুণ বলে।

অনেকগুলো একই জাতীয় সংখ্যাকে যোগের পরিবর্তে গুণ করে অল্প সময়ে এর মান সহজে নির্ণয় করা হয়। যেকোনো অঙ্ক করার জন্য এবং আমাদের ব্যবহারিক জীবনের জন্য গুণ খুব গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক প্রক্রিয়া।

একটি গুণ অঙ্কের সাথে তিনটি রাশি সম্পৃক্ত। যথা- গুণ্য, গুণক ও গুণফল। গুণ্য ও গুণককে গুণ করলে গুণফল পাওয়া যায়। গুণ্য ও গুণকের স্থান পরিবর্তন করলে গুণফল একই থাকে।

গাণিতিক রূপ গুণ করার পদ্ধতি নিম্নে দেয়া হল- 5×2= 10

Also Read: স্যাটেলাইট কাকে বলে

গাণিতিক গুণ- এ ব্যবহৃত চিহ্ন বা প্রতীক

একই পদ্ধতিতে একেকভাবে গাণিতিক গুণ চিহ্ন কে উপস্থাপন করা হয়। যেমনঃ

  • ইংরেজি ভাষায় গুণ চিহ্ন কে (.) বা ডট দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
  • প্রোগ্রামিং ভাষা গুণ চিহ্ন কে (*) বা এস্টারিক্স দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
  • বইয়ের ভাষায় গুণ চিহ্ন কে (x) বা আড়াআড়ি ক্রস দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

গুণ করার নিয়ম

এক অঙ্কবিশিষ্ট গুণকের ক্ষেত্রে গুণক দ্বারা গুণ্যের সকল অঙ্ককে গুণ করে গুণফল পাওয়া যায়। একাধিক অঙ্কের গুণকের প্রতিটি অঙ্কের স্থানীয় মান দ্বারা গুণ্যকে গুণ করে গুণফলগুলো যোগ করা হয়। এ যোগফলই নির্ণেয় গুণফল।

গুণ করার সহজ পদ্ধতি

  1. দুইটি সংখ্যা গুণের ক্ষেত্রে ছোটটিকে গুণক ধরলে গুণ করা সহজ হয়।
  2. গুণ্য বা গুণক বা উভয়ের ডানে এক বা একাধিক অঙ্ক শূন্য হলে সেক্ষেত্রে গুণ করা সহজ হয়।
  3. গুণকের কোনো অঙ্ক ০ থাকলে তা দ্বারা গুণ্যকে গুণ না করে অন্য অঙ্কগুলোর স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে গুণফলগুলো যোগ করলে গুণফল নির্ণয় সহজ হয়।

তো আজকে আমরা দেখলাম যে গুণ কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *