তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে,তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার,তেজস্ক্রিয় আইসোটোপতেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে,তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার,তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে? | তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে,তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার,তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে,তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার,তেজস্ক্রিয় আইসোটোপতেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে,তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার,তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে?

বিভিন্ন মৌলের যে সমস্ত আইসোটোপ ভিন্ন ধরনের রশ্মি (আলফা, বিটা, গামা) বিকিরণ করে অন্য মৌলের পরমাণুতে পরিণত হয় তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।

মৌলের যে সমস্ত আইসোটোপ বিভিন্ন ধরনের রশ্মি (α, β, γ) বিকিরণ করে অন্য মৌলের পরমাণুতে পরিণত হয় তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে। যেমন – 99Tc, 60Co ইত্যাদি।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০০ টির বেশি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে কিছু আইসোটোপ প্রকৃতিতে এবং কিছু আইসোটোপকে পরীক্ষাগারে বানানো হয়েছে।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর উদাহরণ

এখনো পর্যন্ত ৩০০০ টির এও বেশী তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ পাওয়া গেছে । এই তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ গুলি প্রকৃতিতে সৃষ্ট এবং কিছুগুলি পরীক্ষাগারে বানানো হয়েছে ।

Also Read: আয়তলেখ কাকে বলে

14c আইসোটোপের ব্যবহার

14c আইসোটোপ এর ব্যাবহার বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করা হয় যেমন – কার্বন-১৪ দিয়ে কোনো বিশেষ প্রকারের তেজষ্ক্রীয় কার্বন কোনো বস্তু কতটুকু ধারণ করেছে, তার ভিত্তিতে প্রত্নবস্তুর বয়স নির্ধারণ করা যায়। এছাড়া তেজস্ক্রিয় কার্বনের সাহায্যে বহু পুরানো বস্তুর বয়স নির্ণয় করা যায় ।

আজকে আমরা তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তর নিয়ে আলোচনা করলাম । পোস্ট টি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে পোস্ট টি নিজেদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার কিভাবে করা হয় ?

চিকিৎসা ক্ষেত্রে টিউমার এর উপস্থিতি নির্ণয় করা ও টিউমার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর ব্যাবহার করা হয়। এছাড়া গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার কোষকলাকে ধ্বংস করতে ও সাহায্য করে।

তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার

তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার নিম্নরূপ :

১. সালোকসংশ্লেষণে : পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া হলো সালোকসংশ্লেষণ। কারণ এর উপরে সমগ্র উদ্ভিদজগৎ ও সমগ্র প্রাণীজগৎ নির্ভর করে। এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে বলে প্রমাণিত হয়েছে৷

২. চিকিৎসা ক্ষেত্রে : চিকিৎসা ক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন :

ক. শরীরের কোথাও ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি থাকলে তা তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

খ. থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত তেজষ্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

. কৃষিক্ষেত্রে : তেজষ্ক্রিয়তার সাহায্যে কৃষিক্ষেত্রে নতুন নতুন উন্নতমানের বীজ উদ্ভাবন করা হচ্ছে। এসব বীজের মাধ্যমে ফলনের উন্নতি ও পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৪. খাদ্য সংরক্ষণে : বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজষ্ক্রিয়তার ব্যবহার দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে এসব খাদ্যদ্রব্যে পোকা-মাকড় বা জীবাণু সহজে আক্রমণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

৫. কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে : কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা যায়। এতে কীট পতঙ্গের আক্রমণ থেকে মূল্যবান শস্য রক্ষা পায়।

৬. শিল্পক্ষেত্রে : শিল্পক্ষেত্রে তেজিষ্ক্রয় আইসোটোপের ব্যবহার বহুবিধ। যেমন :

ক. ধাতুর পাতের পুরুত্ব পরিমাপে

খ. বদ্ধপাত্রে তরলের উচ্চতা পরিমাপে

গ. পাইপ লাইনের ছিদ্র অনুসন্ধানে।

Also Read: প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ক্ষতিকর প্রভাব

তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে বিভিন্ন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়। বিভিন্ন ধরনের রশ্মি নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। আর এই তেজস্ক্রিয়তা ক্যান্সার হওয়ার একটি বিশেষ কারণ। ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহৃত হয়। যার কারণে মাথার চুল পড়ে যায়, বমি বমি ভাব হয়। এমনকি আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলে। তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহার করে নিউক্লিয় বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, যা প্রচুর শক্তি উৎপাদন করে। এই শক্তিকে ব্যবহার করে এটম বোমা, পারমাণবিক বোমা ইত্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। যা আমাদের জীবনকে বিপন্ন করতে পারে।

Some FAQ:

কার্বনের তিনটি আইসোটোপের নাম লেখ ?

কার্বনের তিনটি আইসোটোপ হল – সি 12 , সি 13, সি 14

জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?

উত্তরঃ জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি- গামা রশ্মি।

তো আজকে আমরা দেখলাম যে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে,তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার,তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *