Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/aofficia/domains/official-result.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
মহাকর্ষ বল কাকে বলে? বিস্তারিত... - Official Result

মহাকর্ষ বল কাকে বলে? বিস্তারিত…

মহাকর্ষ বল কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো মহাকর্ষ বল কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

মহাকর্ষ বল কাকে বলে
মহাকর্ষ বল কাকে বলে

মহাকর্ষ বল কাকে বলে?

মহাকর্ষ বল কাকে বলে: এই মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে একটি বল দ্বারা আকর্ষণ করে। মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার এ পারস্পরিক আকর্ষণ বলকেই মহাকর্ষ বল বলে।

অথবা: মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তু কণার মধ্যবর্তী আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

অথবা: যেকোনো ভরের বস্তুদ্বয় একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে তা হলো মহাকর্ষ।
প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি হলো মহাকর্ষ বল।

এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘুরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘুরে! পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ।

এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।

Also Read: syllable কাকে বলে

মহাকর্ষ বল কি?

মহাকর্ষ বল কি: স্যার আইজাক নিউটন ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে তার ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা গ্রন্থে এ বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন।

বিজ্ঞানী নিউটন সর্বপ্রথম মহাকর্ষ বলের গাণিতিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন। যা নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে পরিচিত।

আধুনিক পদার্থবিদ্যায় মহাকর্ষ বলের সবচেয়ে সঠিকভাবে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (আইনস্টাইন দ্বারা প্রস্তাবিত) দ্বারা বর্ণনা করা হয়। আইনস্টাইনের মতে স্থান-কালের বক্রতার কারণেই মহাকর্ষ বল সৃষ্টি হয়।

তবে মহাকর্ষ বলকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে অভিকর্ষজ বল সম্পর্কেও ধারণা থাকা প্রয়োজন।

অভিকর্ষজ বল হলো পৃথিবী তার কেন্দ্রাভিমুখে উপরস্থ সকল বস্তুকে যে বলে আকর্ষণ করে সেই বল। সর্বপ্রথম নিউটন অভিকর্ষজ বল সম্পর্কে ধারনা দিয়েছিলেন।

Also Read: শিক্ষাক্রম কাকে বলে

মহাকর্ষ বল এর ইতিহাস

মহাকর্ষ বল এর ইতিহাস: অতি প্রাচীনকাল থেকেই আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ছিল। ডেনমার্কের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী টাইকো ব্রাহে (Tycho Brahe) বহু বছর ধরে বিভিন্ন গ্রহের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের গতি সংক্রান্ত নানা তথ্য সংগ্রহ করেন।

পরবর্তীকালে ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে ওই তথ্যগুলির সহায়তায় এবং আরো অনেক পর্যবেক্ষণের পর ডেনমার্কের আরো একজন জ্যোতির্বিদ জোহানেস কেপলার (Johannes Kepler) এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলি কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরত ঘুরছে।

তো আজকে আমরা দেখলাম যে মহাকর্ষ বল কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

Leave a Comment