রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে

রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে? Rastro Biggan Kake Bole?

আজকে আমরা জানবো রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে
রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে

রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে? Rastro Biggan Kake Bole

যে শাস্ত্র নগর রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করে থাকে তাকেই বলা হয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে ইংরেজিতে পলিটিকাল সাইন্স বলা হয়ে থাকে। যার ইংরেজি উচ্চারণ হলো Political Science.  গ্রিক শব্দ Polis  থেকে পলিটিক্স শব্দটি এসেছে।  এর অর্থ হলো নগররাষ্ট্র।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে? What Is Political Science?

প্রতিটি মানুষের জন্য উন্নত জীবনযাপন বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে রাষ্ট্র। এখন প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞান আসলে কি? সাধারণ অর্থে রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল রাষ্ট্র সম্পর্কিত যে সমস্ত বিষয়বস্তু রয়েছে সেসব বিষয়ে জ্ঞান। রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান রাখাই হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল একটি শাস্ত্র যেখানে মানুষের রাজনৈতিক জীবনের সাথে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন বিষয়াবলি প্রতিষ্ঠান ও কার্যাবলী নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা করা হয়ে থাকে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন-১: লোক প্রশাসন কাকে বলে?

উত্তর: Public Administration এর বাংলা হল লোক প্রশাসন। Public অর্থ হলো জনসাধারণ আর Administration এর বাংলা হল প্রশাসন। সুতরাং এ থেকে এটি বলা যায় যে লোক ফ্যাশন মানে হলো জনগণের প্রশাসন।

প্রশ্ন-২: পূর্ণ কর্মসংস্থান কাকে বলে- কিন্সেৱ মতে?

উত্তর: কিন্স এর মতে ওই অবস্থাকে পূর্ণ কর্মসংস্থান বলা হয় যখন অর্থনীতিতে উৎপাদনের সকল উপাদান এর সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার করা হয়, পণ্যের কার্যকর চাহিদার পূর্ণমাত্রার বৃদ্ধি করা হয় এবং তখনকার প্রচলিত মজুরি হারে ও দক্ষতা অনুযায়ী সকল শ্রমিককে কাজে নিয়োগ লাভ করার পর আর কোনো যোগ্যতা সম্পর্ক লোক বেকার থাকে না।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানির দৃষ্টিকোণ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান

রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে অনেক লেখক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান তাদের নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে চেষ্টা করেছেন সংজ্ঞায়িত করার। তাদের মধ্যে একজন হল পল জানেট। নিম্নে তার মতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি তা নিয়ে আলোচনা করা হলো:

পল জানেটেৱ মতে “রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে রাষ্ট্রের ভিত্তি ও সরকারের নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করা হয়।”

সুতরাং এ থেকে বলা যায় যে বিজ্ঞানেৱ লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক শক্তিগুলো নিরূপণ করা এবং তাদের মধ্যকার যুক্তিগত কার্যকারণ সম্পর্ক অনুযায়ী তাদেরকে সুচারুরূপে বিন্যাস করা সেটি হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞান

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *