Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/aofficia/domains/official-result.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
সাহিত্য কাকে বলে? | সাহিত্য কেনো পড়া উচিৎ? - Official Result

সাহিত্য কাকে বলে? | সাহিত্য কেনো পড়া উচিৎ?

সাহিত্য কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো সাহিত্য কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

সাহিত্য কাকে বলে,সাহিত্য কেনো পড়া উচিৎ

সাহিত্য কাকে বলে,সাহিত্য কেনো পড়া উচিৎ
সাহিত্য কাকে বলে

সাহিত্য কাকে বলে?

ইন্দ্রিয় দ্বারা জাগতিক বা মহাজাগতিক চিন্তা চেতনা, অনুভূতি, সৌন্দর্য্য ও শিল্পের লিখিত প্রকাশ হচ্ছে সাহিত্য।

সাহিত্য বিশাল পরিধির একটি বিষয়। অনেক রকম উদ্ভিদ নিয়ে যেমন বাগান হয়, তেমনি বিভিন্ন রকম সৃষ্টিকর্ম নিয়ে সাহিত্য।

আমরা সামগ্রিকভাবে সাহিত্য বলি বটে , কিন্তু বিচারের সময়ে গদ্য , পদ্য কিংবা গল্প উপন্যাস কবিতা নাটক ইত্যাদি স্বতন্ত্রভাবে ব্যাখ্যা – বিশ্লেষণ করে হৃদয়ঙ্গম করি।

সার্বিকভাবে সাহিত্যের রূপ বলতে আমরা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা বুঝে থাকি , যেমন- কবিতা , মহাকাব্য , নাটক , কাব্যনাট্য , ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা ইত্যাদি ।

Also Read: সামন্তরিক কাকে বলে

সাহিত্য কি ?

আমরা ইন্দ্রিয় দ্বারা জাগতিক বা মহাজাগতিক চিন্তা চেতনা, অনুভূতি, সৌন্দর্য ও শিল্পের লিখিত বা লেখকের বাস্তব জীবনের যে অনুভূতি পাই, তাই সাহিত্য।

ধরন অনুযায়ী সাহিত্যকে বাস্তব কাহিনি বা কল্পকাহিনি অথবা গদ্য ও পদ্য এই দুইভাগে ভাগ করা যায়।

পদ্যের মধ্যে ছড়া, কবিতা ইত্যাদি, গদ্যের মধ্যে প্রবন্ধ, নিবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ইত্যাদি শাখা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এছাড়াও অনেকে নাটককে সাহিত্যের আলাদা প্রধান শাখা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে থাকেন। নাটকের মধ্যে নাটিকা, মঞ্চনাটক ইত্যাদিকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

সাহিত্য কেনো পড়া উচিৎ?

যেকোনো লিখা আনন্দের জন্য মূলত পড়া উচিৎ সকলের। আর এই আনন্দ লাভ হয় সাহিত্য পড়াকালীন। সাহিত্যই একমাত্র পারে লিখাকে আনন্দময় করে তুলতে। এছাড়াও সাহিত্যকে বলা হয় সমাজের একটা আয়না। যেখানে সমাজের বিভিন্ন প্রতিবিম্ব ফুটে উঠে এই সাহিত্যের মাধ্যমে। আর এই সাহিত্য পড়াকালীন আপনি সমাজের বিভিন্ন রূপ চোখের সামনে দেখতে পাবেন। অর্থাৎ, চোখের সামনে ভেসে উঠবে সেই সময়কার পরিস্থিতি, ন্যায়-অন্যায় প্রভৃতি।

আপনার মনে এবং চিন্তার স্বাস্থ্য গঠণ, আত্মউপলব্ধি হয়। তাছাড়া নিজের মধ্যে শব্দভান্ডারও বেড়ে যায়। সাহিত্য আপনাকে ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জ্ঞাত করবে। আর তাই প্রতিনিয়তই সাহিত্য চর্চা করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এবার চলুন, বাংলা সাহিত্য নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

বাংলা সাহিত্য কি?

বাংলা সাহিত্যের গোড়াপত্তন হয়েছে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। হিন্দুধর্ম, ইসলাম এবং তৎকালীন বাংলার লৌকিক কাহিনীসমূহ নিয়ে গড়ে উঠেছিল বাংলা সাহিত্য। বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীনতম নিদর্শন হচ্ছে চর্যাপদ।

একেবারে শুরুর দিকে বাংলা সাহিত্যের শিল্পকর্মগুলো ছিল – রামায়ণ, মহাভারত বঙ্গানুবাদ, মঙ্গলকাব্য, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব পদাবলি, নাথসাহিত্য, বাউল পদাবলি, পীরসাহিত্য এবং ইসলামি ধর্মসাহিত্য।

সময়ের সাথে সাথে বাংলা সাহিত্য আধুনিকতার দিকে ধাবিত হয়। আর এই আধুনিকতার শুরু হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। এভাবেই ধীরে ধীরে শুরু হয় নতুন যুগের। অর্থাৎ, বাংলা সাহিত্যের নতুন যুগ। আচ্ছা, বাংলা সাহিত্য মূলত কাকে বলে?

সাধারণত, বাংলা ভাষায় যে সব গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস রচিত হয়েছে তাকেই বাংলা সাহিত্য বলে। এবং বাংলা সাহিত্য কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

তো আজকে আমরা দেখলাম যে সাহিত্য কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

Leave a Comment