গড় কাকে বলে,গড় কত প্রকার ও কি কি

গড় কাকে বলে? | গড় কত প্রকার ও কি কি?

গড় কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো গড় কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

গড় কাকে বলে,গড় কত প্রকার ও কি কি
গড় কাকে বলে

গড় কাকে বলে?

এক জাতীয় একাধিক রাশির সমষ্টিকে উক্ত রাশিগুলোর মোট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যায় তাকে ঐ রাশিগুলোর গড় বলে।

OR: সমজাতীয় রাশিমালা অন্তর্ভুক্ত রাশিগুলোর সমষ্টিকে রাশির মােট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে প্রাপ্ত ভাগফলকে গড় বলে।

যেমন: সুজন এর বয়স ৩২ বছর। মিরাজ এর বয়স ২৭ বছর এবং সোহান এর বয়স ২৮ বছর। তাহলে এই তিনজনের = ৩২+২৭+২৮=৮৭ বছর।

অতএব এই তিনজন বেক্তির বয়সের গড় = ৮৭ / ৩ = ২৯ বছর।

Also Read: জ্যামিতি কাকে বলে

গড় কত প্রকার ও কি কি?

গড় তিন প্রকার। যথা:

  1. গাণিতিক গড় ( Arithmetic mean)
  2. গুণিতক গড় (Geometric mean)
  3. তরঙ্গ গড় (Harmonic mean)

গুণিতক গড়

গণিতের সূত্র ব্যবহার করে গড় পরিমাপ করাকে গাণিতিক গড় বলে। এক্ষেত্রে গড় নির্ণয়ে প্রাপ্ত তথ্যকে সংখ্যা বানিয়ে গাণিতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রীয় প্রবণতার একটি বিশেষ পরিমাপক বলা হয় গুণিতক গড় কে। গুণিতক গড় সাধারণত শতকরা হিসাব, আনুপাতিক হিসাব ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও সূচক সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এই গুণিতক গড় ব্যবহার করা হয়।

গাণিতিক গড়

সহজে পরিমাপক যোগ্য হচ্ছে গাণিতিক গড়। বলা হয়ে থাকে, গণিতের সূত্র ব্যবহার করে গড় পরিমাপ করা হয়। আর এই পরিমাপককেই বলা হয় গাণিতিক গড়। গাণিতিক গড় সর্বাধিক ব্যবহার করা যায়।

তরঙ্গ গড়

তরঙ্গ গড় কে কেন্দ্রীয় প্রবণতার আরেকটি বিশেষ পরিমাপক বলা হয়। এটি বিশেষ ক্ষেত্রে মূলত ব্যবহার করা হয়। প্রতি ঘন্টায় দূরত্ব অতিক্রম, শেয়ার প্রতি আয় ইত্যাদি বিশেষ ক্ষেত্রে এই তরঙ্গ গড় ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং তরঙ্গ গড়ের যে সূত্র আছে তা সহজেই বোধগম্য।

গাণিতিক গড়ের সুবিধা ও অসুবিধা

সুবিধাঅসুবিধা
গাণিতিক গড় সহজ পরিমাপকগাণিতিক গড় অনুমানের উপর নির্ণয় করা যায় না।
অশ্রেণীকৃত তথ্য থেকে সহজে গাণিতিক গড় নির্ণয় করা যায়।যেসব তথ্য মান খুব বড় এবং খুব ছোট মিশ্রিত সেসব ক্ষেত্রে গাণিতিক গড় সঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।
গাণিতিক গড় গাণিতিক ও বীজগাণিতিক প্রক্রিয়া আরোপের উপযোগী।তথ্যসমূহের সীমারেখা জানা না থাকলে গড় নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
গাণিতিক গড়ের ব্যবহার সর্বাধিক।গ্রাফের মাধ্যমে গাণিতিক গড় নির্ণয় করা যায় না।
নমুনার তারতম্য হলেও গাণিতিক গড় কম প্রভাবিত হয়।গাণিতিক গড় এমন একটি সংখ্যা মান হতে পারে যা তথ্য সমূহে বিদ্যমান নয়।
Wait For That!Wait For That!

গুণিতক গড়ের সুবিধা ও অসুবিধা

সুবিধাঅসুবিধা
গুণিতক গড়ের সংজ্ঞা যথেষ্ট স্পষ্টগাণিতিক বিষয়ে জ্ঞান থাকলে গুণিতক গড় নির্ণয় করা কঠিন
তথ্যসমূহের শতকরা হার, অনুপাত ইত্যাদির ক্ষেত্রে গুণিতক গড় ব্যবহার সহজসাধ্যতথ্য মানের মধ্যে গণ্য ও ঋণাত্মক মান থাকলে গুণিতক গড় নির্ণয় করা যায় না।
গুণিতক গড় মূল ও মাপনীর মানসমূহ দ্বারা প্রভাবিত হয়লগ এর মাধ্যম ছাড়া গুণিতক গড় নির্ণয় কঠিন।
সূচক সংখ্যা তৈরিতে গুণিতক গড় ব্যবহার করা হয়।

তরঙ্গ গড়ের সুবিধা

তরঙ্গ গড়ের সূত্র সহজভাবে বুঝা যায়।
তরঙ্গ গড় সকল তথ্যমানের উপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয়।
তথ্যমান

তো আজকে আমরা দেখলাম যে গড় কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *