ভেক্টর রাশি কাকে বলে,ভেক্টর রাশির নিয়ম

ভেক্টর রাশি কাকে বলে? | ভেক্টর রাশির নিয়ম

ভেক্টর রাশি কাকে বলে: আজকে আমরা জানবো ভেক্টর রাশি কাকে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ভেক্টর রাশি,ভেক্টর,রাশি,ভেক্টর রাশি মনে রাখার উপায়,ভেক্টর রাশি কি,স্কেলার রাশি,স্কেলার ও ভেক্টর রাশি,ভেক্টর রাশি ও স্কেলার রাশির মধ্যে পার্থক্য,স্কেলার রাশি ও ভেক্টর রাশি,ভেক্টর রাশি মনে রাখার উপায়,স্কেলার ও ভেক্টর রাশি কাকে বলে,ভেক্টর রাশির উদাহরণগুলো মনে রাখার টেকনিক,শর্টকাটে ভেক্টর রাশি,শর্টকাটে​ ভেক্টর রাশি,ভেক্টর রাশি চেনার উপার,কাজ ভেক্টর রাশি নাহ কেন,ভেক্টর রাশির তালিকা,ভেক্টর রাশির উদাহরণ,ভেক্টর রাশির টেকনিক

ভেক্টর রাশি কাকে বলে,ভেক্টর রাশির নিয়ম
ভেক্টর রাশি কাকে বলে

ভেক্টর রাশি কাকে বলে?

যে সকল রাশি প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়, তাকে ভেক্টর রাশি বলে।যেমন: সরন,বেগ,ত্বরন ইত্যাদি।

ভেক্টর রাশির নিয়ম

ভেক্টর রাশি কতগুলো নিয়ম মেনে চলে। যথা–

  1. ভেক্টর রাশির মান ও অভিমুখ আছে।
  2. দুই বা ততোধিক সমজাতীয় ভেক্টরকে যোগ করা যায়। ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টরকে যোগ করা যায় না।
  3. দুই বা ততোধিক ভেক্টর যোগ করলে যে ভেক্টর পাওয়া যায় তা প্রথমোক্ত ভেক্টর গতির সম্মিলিত ক্রিয়ার ফলাফলের সমান হয়।
  4. দুটি ভেক্টরের ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি হয়।
  5. দুটি ভেক্টরের স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
  6. কোনো ভেক্টর রাশি ও তার মানের অনুপাত দ্বারা ভেক্টরটির দিক নির্দেশিত হয়।
  7. ভেক্টর রাশি যোগ সংযোজন ও বণ্টন সূত্র মেনে চলে।
  8. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।

বিভিন্ন প্রকার ভেক্টর

১. সদৃশ ভেক্টর: যে সকল সম জাতীয় ভেক্টরের মান ভিন্ন, কিন্তু দিক একই, তাদের কে সদৃশ ভেক্টর বলে।

২. সমন ভেক্টর: যে সকল সম জাতীয় ভেক্টরের মান সমান এবং দিক একই, তাদেরকে সমান ভেক্টর বলে।

৩. বিসদৃশ ভেক্টর: দুটি ভেক্টরের মান ভিন্ন এবং দিক বিপরীত হলে, তাদের কে বিসদৃশ ভেক্টর বলে।

৪. বিপরীত ভেক্টর: দুটি ভেক্টরের মান সমান কিন্তু দিক বিপরীত হলে তাদেরকে বিপরীত ভেক্টর বলে।তাদেরকে ঋণাত্মক ভেক্টর বলে।

৫. সমরেখ ভেক্টর: যে সকল ভেক্টর একই রেখার উপর অবস্থান করে তাদেরকে সমরেখ ভেক্টর বলে।

৬. সমতলীয় ভেক্টর: যে সকল ভেক্টর একই তলে অবস্থান করে তাদের কে সমতলীয় ভেকআটর বলে। প্রসঙ্গ কাঠামো বা স্থানাঙ্ক ব্যবস্থাঃযার সাপেক্ষে কোনো বিন্দু বা বস্তুর অবস্থান, বেগ, ত্বরন ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়, তাকে অবস্থান প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

প্রসঙ্গ কাঠামো তিন প্রকার।যথা:

  1. এক মাত্রিক প্রসঙ্গ কাঠামো।
  2. দ্বিমাত্রিক প্রসঙ্গ কাঠামো।
  3. ত্রিমাত্রিক প্রসঙ্গ কাঠামো।

৭. অবস্থান ভেক্টরঃ প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে অন্য কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টরের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়, তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।একে ব্যাসার্ধ ভেক্টর ও বলঅ হয়।

৮. শূন্য ভেক্টরঃ যেভেক্টরের মান শূন্য তাকে, শূন্য ভেক্টর বলা হয়।

৯. একক ভেক্টরঃ যে ভেক্টরের মান ১ তাকে একক ভেক্টর বলে। কোনো অশূন্য ভেক্টর কে তার মান দ্বারা ভাগ করলে এই ভেক্টরের দিকে একক ভেক্টর পাওয়া যায়। ধরি, একটি অশূন্য ভেক্টর এর মান A বা এর দিকে একক ভেক্টর আয়ত একক ভেক্টরঃ ত্রিমাত্রিক স্থানাংক ব্যবস্থায় তিনটি ধনাত্মক অক্ষ বরাবর তিনটি একক ভেক্টর কল্পনা করা হয়। এদের কে একত্রে আয়ত একক ভেক্টর বলে।

Also Read: ফাংশন কাকে বলে

Also Read: সিলভার কাকে বলে

তো আজকে আমরা দেখলাম যে ভেক্টর রাশি কাকে বলে এবং আরো অনেক বিস্তারিত বিষয় । যদি পোস্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশয়, আমাদের বাকি পোস্ট গুলো ভিসিট করতে ভুলবেন না!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *